বদনজর

নজর লাগা থেকে সুরক্ষা ও আরোগ্য · ৮টি অংশ। চালু করলে একটার পর একটা বাজবে, প্রতিটা যতবার পড়ার কথা ততবার।

১ সূরা আল-ফাতিহা
بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿١﴾
বিসমিল্লা-হির রাহমা-নির রাহী-ম
(১) শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
ٱلۡحَمۡدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ ﴿٢﴾
আলহামদু লিল্লা-হি রাব্বিল ‘আ-লামী-ন
(২) যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ﴿٣﴾
আর রাহমা-নির রাহী-ম
(৩) যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
مَٰلِكِ يَوۡمِ ٱلدِّينِ ﴿٤﴾
মা-লিকি ইয়াওমিদ্দী-ন
(৪) যিনি বিচার দিনের মালিক।
إِيَّاكَ نَعۡبُدُ وَإِيَّاكَ نَسۡتَعِينُ ﴿٥﴾
ইয়্যা-কা না‘বুদু ওয়া ইয়্যা-কা নাসতা‘ঈ-ন
(৫) আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
ٱهۡدِنَا ٱلصِّرَٰطَ ٱلۡمُسۡتَقِيمَ ﴿٦﴾
ইহদিনাস সিরা-তাল মুসতাকী-ম
(৬) আমাদেরকে সরল পথ দেখাও
صِرَٰطَ ٱلَّذِينَ أَنۡعَمۡتَ عَلَيۡهِمۡ غَيۡرِ ٱلۡمَغۡضُوبِ عَلَيۡهِمۡ وَلَا ٱلضَّآلِّينَ ﴿٧﴾
সিরা-তাল্লাযী-না আন‘আমতা ‘আলাইহিম, গাইরিল মাগদূবি ‘আলাইহিম ওয়ালাদ দ্বা-ল্লী-ন
(৭) সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।
আল ফাতিহা ১:১–৭ · সাহাবী রুকইয়া হিসেবে পড়েছিলেন, নবী ﷺ অনুমোদন দিয়েছেন (সহীহ বুখারী ৫৭৩৬)
২ আয়াতুল কুরসী
ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلۡحَيُّ ٱلۡقَيُّومُۚ لَا تَأۡخُذُهُۥ سِنَةࣱ وَلَا نَوۡمࣱۚ لَّهُۥ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِي ٱلۡأَرۡضِۗ مَن ذَا ٱلَّذِي يَشۡفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذۡنِهِۦۚ يَعۡلَمُ مَا بَيۡنَ أَيۡدِيهِمۡ وَمَا خَلۡفَهُمۡۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيۡءࣲ مِّنۡ عِلۡمِهِۦٓ إِلَّا بِمَا شَآءَۚ وَسِعَ كُرۡسِيُّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضَۖ وَلَا يَـُٔودُهُۥ حِفۡظُهُمَاۚ وَهُوَ ٱلۡعَلِيُّ ٱلۡعَظِيمُ ﴿٢٥٥﴾
আল্লা-হু লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যূম। লা- তা’খুযুহূ সিনাতুঁও ওয়ালা- নাওম। লাহূ মা- ফিস সামা-ওয়া-তি ওয়ামা- ফিল আরদ্ব। মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইনদাহূ- ইল্লা- বিইযনিহ। ইয়া‘লামু মা- বাইনা আইদীহিম ওয়ামা- খালফাহুম, ওয়ালা- ইউহী-তূনা বিশাইইম মিন ‘ইলমিহী- ইল্লা- বিমা- শা-আ। ওয়াসি‘আ কুরসিয়্যুহুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্ব, ওয়ালা- ইয়াঊদুহূ হিফযুহুমা-, ওয়া হুওয়াল ‘আলিয়্যুল ‘আযী-ম
(২৫৫) আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোন কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।
আল বাকারা ২:২৫৫ · শয়তান থেকে সুরক্ষা (সহীহ বুখারী ২৩১১)
৩ আল-বাকারাহর শেষ দুই আয়াত
ءَامَنَ ٱلرَّسُولُ بِمَآ أُنزِلَ إِلَيۡهِ مِن رَّبِّهِۦ وَٱلۡمُؤۡمِنُونَۚ كُلٌّ ءَامَنَ بِٱللَّهِ وَمَلَٰٓئِكَتِهِۦ وَكُتُبِهِۦ وَرُسُلِهِۦ لَا نُفَرِّقُ بَيۡنَ أَحَدࣲ مِّن رُّسُلِهِۦۚ وَقَالُواْ سَمِعۡنَا وَأَطَعۡنَاۖ غُفۡرَانَكَ رَبَّنَا وَإِلَيۡكَ ٱلۡمَصِيرُ ﴿٢٨٥﴾
আ-মানার রাসূলু বিমা- উনযিলা ইলাইহি মির রাব্বিহী ওয়াল মু’মিনূন। কুল্লুন আ-মানা বিল্লা-হি ওয়া মালা-ইকাতিহী ওয়া কুতুবিহী ওয়া রুসুলিহ। লা- নুফাররিকু বাইনা আহাদিম মির রুসুলিহ। ওয়া কা-লূ সামি‘না- ওয়া আত্বা‘না-, গুফরা-নাকা রাব্বানা- ওয়া ইলাইকাল মাসী-র
(২৮৫) রসূল বিশ্বাস রাখেন ঐ সমস্ত বিষয় সম্পর্কে যা তাঁর পালনকর্তার পক্ষ থেকে তাঁর কাছে অবতীর্ণ হয়েছে এবং মুসলমানরাও সবাই বিশ্বাস রাখে আল্লাহর প্রতি, তাঁর ফেরেশতাদের প্রতি, তাঁর গ্রন্থসমুহের প্রতি এবং তাঁর পয়গম্বরগণের প্রতি। তারা বলে আমরা তাঁর পয়গম্বরদের মধ্যে কোন তারতম্য করিনা। তারা বলে, আমরা শুনেছি এবং কবুল করেছি। আমরা তোমার ক্ষমা চাই, হে আমাদের পালনকর্তা। তোমারই দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে।
لَا يُكَلِّفُ ٱللَّهُ نَفۡسًا إِلَّا وُسۡعَهَاۚ لَهَا مَا كَسَبَتۡ وَعَلَيۡهَا مَا ٱكۡتَسَبَتۡۗ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذۡنَآ إِن نَّسِينَآ أَوۡ أَخۡطَأۡنَاۚ رَبَّنَا وَلَا تَحۡمِلۡ عَلَيۡنَآ إِصۡرࣰ ا كَمَا حَمَلۡتَهُۥ عَلَى ٱلَّذِينَ مِن قَبۡلِنَاۚ رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلۡنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِۦۖ وَٱعۡفُ عَنَّا وَٱغۡفِرۡ لَنَا وَٱرۡحَمۡنَآۚ أَنتَ مَوۡلَىٰنَا فَٱنصُرۡنَا عَلَى ٱلۡقَوۡمِ ٱلۡكَٰفِرِينَ ﴿٢٨٦﴾
লা- ইউকাল্লিফুল্লা-হু নাফসান ইল্লা- উস‘আহা-, লাহা- মা- কাসাবাত ওয়া ‘আলাইহা- মাকতাসাবাত। রাব্বানা- লা- তুআ-খিযনা- ইন নাসী-না- আও আখত্বা’না-, রাব্বানা- ওয়ালা- তাহমিল ‘আলাইনা- ইসরান কামা- হামালতাহূ ‘আলাল্লাযী-না মিন কাবলিনা-, রাব্বানা- ওয়ালা- তুহাম্মিলনা- মা- লা- ত্বা-কাতা লানা- বিহ, ওয়া‘ফু ‘আন্না-, ওয়াগফির লানা-, ওয়ারহামনা-, আনতা মাওলা-না- ফানসুরনা- ‘আলাল কাওমিল কা-ফিরী-ন
(২৮৬) আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোন কাজের ভার দেন না, সে তাই পায় যা সে উপার্জন করে এবং তাই তার উপর বর্তায় যা সে করে। হে আমাদের পালনকর্তা, যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি, তবে আমাদেরকে অপরাধী করো না। হে আমাদের পালনকর্তা! এবং আমাদের উপর এমন দায়িত্ব অর্পণ করো না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর অর্পণ করেছ, হে আমাদের প্রভূ! এবং আমাদের দ্বারা ঐ বোঝা বহন করিও না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নাই। আমাদের পাপ মোচন কর। আমাদেরকে ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি দয়া কর। তুমিই আমাদের প্রভু। সুতরাং কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের কে সাহায্যে কর।
আল বাকারা ২:২৮৫–২৮৬ · রাতে পড়লে যথেষ্ট (বুখারী ৫০০৯, মুসলিম ৮০৭)
৪ সূরা আল-ইখলাস ×৩
قُلۡ هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ ﴿١﴾
কুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ
(১) বলুন, তিনি আল্লাহ, এক
ٱللَّهُ ٱلصَّمَدُ ﴿٢﴾
আল্লা-হুস সামাদ
(২) আল্লাহ অমুখাপেক্ষী
لَمۡ يَلِدۡ وَلَمۡ يُولَدۡ ﴿٣﴾
লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ
(৩) তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি
وَلَمۡ يَكُن لَّهُۥ كُفُوًا أَحَدُۢ ﴿٤﴾
ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহূ কুফুওয়ান আহাদ
(৪) এবং তার সমতুল্য কেউ নেই।
আল ইখলাস ১১২:১–৪ · নবী ﷺ নিজে পড়ে ফুঁ দিতেন (সহীহ বুখারী ৫০১৭)
৫ সূরা আল-ফালাক ×৩
قُلۡ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلۡفَلَقِ ﴿١﴾
কুল আ‘ঊযু বিরাব্বিল ফালাক
(১) বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার
مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿٢﴾
মিন শাররি মা- খালাক
(২) তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে
وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾
ওয়া মিন শাররি গা-সিকিন ইযা- ওয়াকাব
(৩) অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়
وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِي ٱلۡعُقَدِ ﴿٤﴾
ওয়া মিন শাররিন নাফফা-সা-তি ফিল ‘উকাদ
(৪) গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে
وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾
ওয়া মিন শাররি হা-সিদিন ইযা- হাসাদ
(৫) এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।
আল ফালাক ১১৩:১–৫ · নবী ﷺ নিজে পড়ে ফুঁ দিতেন (সহীহ বুখারী ৫০১৭)
৬ সূরা আন-নাস ×৩
قُلۡ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلنَّاسِ ﴿١﴾
কুল আ‘ঊযু বিরাব্বিন না-স
(১) বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার
مَلِكِ ٱلنَّاسِ ﴿٢﴾
মালিকিন না-স
(২) মানুষের অধিপতির
إِلَٰهِ ٱلنَّاسِ ﴿٣﴾
ইলা-হিন না-স
(৩) মানুষের মা’বুদের
مِن شَرِّ ٱلۡوَسۡوَاسِ ٱلۡخَنَّاسِ ﴿٤﴾
মিন শাররিল ওয়াসওয়া-সিল খান্না-স
(৪) তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে
ٱلَّذِي يُوَسۡوِسُ فِي صُدُورِ ٱلنَّاسِ ﴿٥﴾
আল্লাযী ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন না-স
(৫) যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে
مِنَ ٱلۡجِنَّةِ وَٱلنَّاسِ ﴿٦﴾
মিনাল জিন্নাতি ওয়ান না-স
(৬) জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।
আন নাস ১১৪:১–৬ · নবী ﷺ নিজে পড়ে ফুঁ দিতেন (সহীহ বুখারী ৫০১৭)
৭ জিবরীল (আ.)-এর রুকইয়া ×৩ শুধু পড়ুন
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ، مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيكَ، مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنِ حَاسِدٍ، اللَّهُ يَشْفِيكَ، بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ
বিসমিল্লা-হি আরকী-কা, মিন কুল্লি শাইইন ইউ’যী-কা, মিন শাররি কুল্লি নাফসিন আও ‘আইনি হা-সিদিন, আল্লা-হু ইয়াশফী-কা, বিসমিল্লা-হি আরকী-ক
আল্লাহর নামে আমি আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি — সব কষ্টদায়ক জিনিস থেকে, প্রত্যেক প্রাণের অনিষ্ট বা হিংসুকের নজর থেকে। আল্লাহ আপনাকে আরোগ্য দিন। আল্লাহর নামে আমি আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি।
সহীহ মুসলিম ২১৮৬ · জিবরীল (আ.) নবী ﷺ-কে এই রুকইয়া করেছিলেন
৮ আল্লাহর পরিপূর্ণ বাণীর আশ্রয় ×৩
أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ
আ‘ঊযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মা-তি মিন শাররি মা- খালাক
আল্লাহর পরিপূর্ণ বাণীসমূহের আশ্রয় চাই — তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে।
সহীহ মুসলিম ২৭০৮ · কোথাও থামলে বা সন্ধ্যায় পড়লে ক্ষতি থেকে নিরাপদ
সম্পূর্ণ রুকইয়া জাদু (সিহর) অসুস্থতা ঘুমের আগে শিশুদের জন্য
বদনজর — চালু করতে ▶ চাপুন