রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
"আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দার ওপর অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন যখন বান্দা কোনো কিছু খাওয়ার পর আল্লাহর প্রশংসা (শুক্রিয়া) করে কিংবা পান করার পর আল্লাহর প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা আদায় করে।"
(সহিহ মুসলিম: ২৭৩৪)
প্রথম চান্সে যদি জান্নাতে যেতে চান, জাহান্নামের কোনো স্পর্শ ছাড়া যদি জান্নাতে যেতে চান, তাহলে এই ১৬ বদঅভ্যাস থেকে, ১৬টি অপরাধ থেকে নিজেকে বাঁচাবার চেষ্টা করতে হবে।
১. যাদের মধ্যে ঈমান নাই, তারা জান্নাতে যেতে পারবে না।
২. সবচেয়ে বড় বাধা হলো, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা। আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী সে জান্নাতে যেতে পারবে না।
৩. যারা চোগলখুরি বদঅভ্যাস আছে, এই রোগটা।
৪. প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়ার রোগ যাদের আছে।
৫. অহংকার।
৬. প্রতারণা করা মানুষের সাথে, মানুষকে ধোঁকা দেওয়া।
৭. দান করার পর খোঁটা দেওয়া।
৮. কৃপণতা।
৯. ঘুষ দেওয়া-নেওয়া।
১০. মা-বাবার নাফরমানি করা, মা-বাবার অবাধ্য হওয়া, মা-বাবার অসম্মান করা।
১১. মাদকাসক্ত হওয়া।
১২. হারাম উপার্জন দ্বারা, হারাম খাদ্য দ্বারা, পানীয় দ্বারা শরীর গঠন করা।
১৩. রূঢ় স্বভাবের হওয়া।
১৪. গণক হওয়া।
১৫. ব্ল্যাক ম্যাজিক করা, ব্ল্যাক ম্যাজিশিয়ান।
১৬. সিল্কের পোশাক পরা।
শায়খ আহমাদুল্লাহ (হাফি.)
সুত্র : [উনার বক্তব্য থেকে নেয়া]
বান্দার প্রতি আল্লাহর একটি দয়া হলো– তিনি তাকে এমন কিছু পরীক্ষায় ফেলেন যা সে না পারে কাউকে বলতে, আর না পারে কাউকে নিজের কষ্টটা বোঝাতে। আল্লাহ এটা এই জন্যই করেন যাতে বান্দার মন অন্য সবার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে কেবল আল্লাহর দিকেই নিবিষ্ট হয় এবং সে যেন নিজের সবটুকু দুঃখ নিয়ে একমাত্র তাঁর কাছেই হাজির হয়।
— ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহি.)
[সূত্র : আল-ওয়াবিলুস সায়্যিব, ৩৫]
কুরআন হিফজের পথে চলতে চলতে কখনো কখনো ব্যর্থতার সম্মুখীন হওয়া অবশ্যম্ভাবী যাতে মানুষ দেখতে পারে, সে ধৈর্য ধারণ করে কি না; তার হৃদয় সত্যিই এই পথে অটল কি না।
তোমার করণীয় শুধু ধৈর্য ধরা, ধৈর্যের সঙ্গে চেষ্টা করে যাওয়া। হোঁচট খেয়ে থেমে যেয়ো না; চেষ্টা করো, পরিশ্রম করো।
ইনশাআল্লাহ, আগামীকাল তুমি তোমার পরিশ্রমের ফল দেখতে পাবে আল্লাহর সাহায্য ও শক্তিতে। কারণ যারা আজ সুন্দরভাবে আয়ত্ত করতে পেরেছে, তারাও একসময় ব্যর্থ হয়েছিল; কিন্তু ধৈর্যের পর তারা সফল হয়েছে।
সংগৃহীত,,,,
#Quran #Remainder
✍️কুরআন হিফজের জন্য সকালের সময় সর্বোত্তম 🔥 চলুন হৃদয়কে জুড়ে দেই কুরআনের সাথে 📚🥀
*রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:🌷*“তোমরা কোরআন তেলাওয়াত করো। কারণ, কেয়ামতের দিন তা তার তেলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশকারী হিসেবে আসবে।”
`(রেফারেন্স: সহিহ মুসলিম,হাদিস,৮০৪)`
📌 এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াতের প্রতি উৎসাহিত করেছেন। কিয়ামতের দিন কুরআন আল্লাহর অনুমতিতে যারা দুনিয়াতে কুরআন তিলাওয়াত করত এবং তার প্রতি যত্নশীল ছিল, তাদের পক্ষে শাফাআত (সুপারিশ) করবে। এখানে শুধু মুখে তিলাওয়াত করাই নয়—কুরআনের প্রতি ভালোবাসা, তা শেখা, বুঝার চেষ্টা করা এবং তার নির্দেশ অনুযায়ী আমল করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিদিন অল্প হলেও কুরআন তিলাওয়াতের অভ্যাস করা উচিত। 📖