রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
"আমি বান্দার সাথে সেরূপ আচরণ করি, যেরূপ সে আমার প্রতি ধারণা পোষণ করে। বান্দা যখন আমাকে স্মরণ করে, আমি তার সাথেই থাকি... সে যদি আমার দিকে এক বিঘত এগিয়ে আসে, আমি তার দিকে এক হাত এগিয়ে যাই। সে যদি আমার দিকে এক হাত এগিয়ে আসে, আমি তার দিকে দুই হাত (এক বাম) এগিয়ে যাই। আর সে যদি আমার দিকে হেঁটে আসে, তবে আমি তার দিকে দৌড়ে যাই।"
— (সহিহ বুখারি: ৭৪০৫, সহিহ মুসলিম: ২৬৭৫)
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"তোমাদের কারো মুখের লোকমা যদি নিচে পড়ে যায়, তবে সে যেন তার ময়লা পরিষ্কার করে তা খেয়ে নেয় এবং শয়তানের জন্য ছেড়ে না দেয়।"
(সহিহ মুসলিম: ২০৩৩)
ফজরের নামাজ না পড়ার প্রভাব
১. চেহারা থেকে নূরের বরকত দূর হয়ে যাওয়া: ফজরের নামাজ ত্যাগকারীর চেহারার দীপ্তি ও নূর কমে যায়।
২. রিজিকে বরকত কমে যাওয়া: আল্লাহর ইবাদত থেকে গাফিলতি মানুষের রিজিকে ও উপার্জনে বরকত কমিয়ে দেয়।
৩. দিনভর অলসতা ও মন খারাপ থাকা: নবীজি (সা.) বলেছেন, শয়তান ঘুমন্ত ব্যক্তির ঘাড়ের পেছনে তিনটি গিরা দেয় এবং প্রতিটিতে বলে, "তোমার সামনে দীর্ঘ রাত, অতএব ঘুমাও।" যদি সে জেগে আল্লাহর নাম নেয়, তবে একটি গিরা খুলে যায়; অজু করলে দ্বিতীয়টি এবং নামাজ পড়লে সব গিরা খুলে যায়। তখন তার সকাল হয় চঞ্চল ও পবিত্র মনে। অন্যথায় সে অলস ও মনমরা অবস্থায় দিন কাটায়।
🌸 "যে অন্তরে আল্লাহর ভয় আছে, সে অন্তর কখনো কারো ক্ষতি করতে পারে না..."
আমরা প্রতিদিনই দুনিয়ার নানা হিসাব-নিকাশ নিয়ে ব্যস্ত থাকি। কিন্তু সবচেয়ে উত্তম হিসাব তো সেটাই, যা আমাদের আখিরাতের জন্য জমা হয়।
"নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই স্বস্তি রয়েছে।"
— (সূরা আল-ইনশিরাহ: ৫)
কোন একজন সালাফ বলেছেন,
“মুমিনের জীবনের প্রতিটি দিনই একটি মহামূল্যবান সুযোগ সুতরাং তুমি জীবিত থাকা অবস্থায় তোমার সময়কে সৎকর্মে কাজে লাগাও, মৃত্যুর আগেই নেক আমলের পুঁজি সংগ্রহ করো। কারণ একসময় মৃত্যু এসে যাবে, আর তখন সময়ও ফুরিয়ে যাবে।”
শায়খ আব্দুর রাজ্জাক আল-বদর (হাফি.)