সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার (সকাল-সন্ধ্যা)
اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي، فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ
উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা আনতা রাব্বী লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা, খালাকতানী ওয়া আনা ‘আবদুকা, ওয়া আনা ‘আলা- ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাসতাত্বা‘তু, আ‘ঊযু বিকা মিন শাররি মা- সানা‘তু, আবূউ লাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূউ বিযাম্বী ফাগফির লী, ফাইন্নাহূ লা- ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা- আনতা
অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি আমার রব, আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, আমি আপনার বান্দা। আমি সাধ্যমতো আপনার সাথে করা অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতির ওপর আছি। আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই। আমার ওপর আপনার নিয়ামত স্বীকার করছি, আমার গুনাহও স্বীকার করছি — তাই আমাকে ক্ষমা করুন; আপনি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারে না।
সহীহ বুখারী ৬৩০৬
ইফতারের সময়
ذَهَبَ الظَّمَأُ، وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ، وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ
উচ্চারণ: যাহাবায যামা-উ, ওয়াবতাল্লাতিল ‘উরূকু, ওয়া সাবাতাল আজরু ইন শা-আল্লা-হ
অর্থ: পিপাসা দূর হলো, শিরাগুলো সিক্ত হলো, আর আল্লাহ চাইলে প্রতিদান নিশ্চিত হলো।
সুনানে আবু দাউদ ২৩৫৭
লাইলাতুল কদরে
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা ইন্নাকা ‘আফুউউন তুহিব্বুল ‘আফওয়া ফা‘ফু ‘আন্নী
অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; তাই আমাকে ক্ষমা করুন।
জামে তিরমিযী ৩৫১৩