৫০ হাজার বার — এই সংখ্যাটি কুরআন-সুন্নাহয় নির্ধারিত কোনো আমল নয়। কেউ এটাকে নির্দিষ্ট আমল মনে করবেন না; কম-বেশি যত খুশি পড়া যায়।
লক্ষ্যটি শুধু একে অপরকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য — যেন আমরা সবাই মিলে বেশি বেশি দুরুদ পড়ি; এমনিতে আমাদের বেশি পড়া হয় না। "তোমরা কল্যাণের কাজে প্রতিযোগিতা করো" — সূরা বাকারা ২:১৪৮
সংখ্যা পূর্ণ করার আলাদা কোনো ফজিলত নেই; ফজিলত দুরুদ পড়ার। "যে আমার ওপর একবার দুরুদ পাঠ করে, আল্লাহ তার ওপর দশবার রহমত বর্ষণ করেন" — সহীহ মুসলিম ৪০৮
যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গায়, নিজে নিজে পড়ুন — একসাথে সুর মিলিয়ে বা বিশেষ কোনো নিয়মে পড়ার প্রয়োজন নেই।
নিয়ত থাকুক শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি — তালিকায় নাম আসা উদ্দেশ্য নয়।
যাঁরা এগিয়েসেরা ১০ জন · চাপুন🥇🥈🥉
১Tahiyatul Towha৪,০০৩ বার
২Marjan Akhter১,০৭৬ বার
৩joynabsalma৭০০ বার
৪একজন পাঠক৩৪৩ বার
১Lovely Akhter২ জন
১Marjan Akhter১,০৭৬ বার
২Tahiyatul Towha৪,০০৩ বার
৩joynabsalma৭০০ বার
৪একজন পাঠক৩৪৩ বার
ফজিলত ও বিবরণ
"হে মানবজাতি! তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবা করো। আমি নিজে দিনে ১০০ বার তাঁর কাছে তাওবা করি।"
(সহিহ মুসলিম: ২৭০২)
আসুন, বেশি বেশি ইস্তিগফার করি। এখানে নিজের পাঠ গুনে রাখতে পারেন —পঞ্চাশ হাজার সংখ্যাটি শুধু উৎসাহের জন্য, শরীয়ত-নির্ধারিত নয়। নিজে পড়ুন, প্রিয়জনদেরও উৎসাহ দিন।
ITI অ্যাপ থেকে তাসবীহ পাঠ করুননোটিফিকেশন, অফলাইন তাসবীহ ও আরও সহজে — এই পাতা থেকেও (ব্রাউজারে) পড়তে পারবেন।