হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা বলেন: "আমার বান্দা আমার প্রতি যেমন ধারণা করে, আমি তার সাথে তেমনই আচরণ করি। সে যখন আমাকে স্মরণ করে, আমি তার সাথেই থাকি। সে যদি মনে মনে আমাকে স্মরণ করে, আমিও তাকে আমার মনে স্মরণ করি। সে যদি কোনো মজলিসে আমার কথা আলোচনা করে, তবে আমি তার চেয়ে উত্তম ফেরেশতাদের মজলিসে তাকে স্মরণ করি। সে যদি আমার দিকে এক বিঘত এগিয়ে আসে, আমি তার দিকে এক হাত এগিয়ে যাই; সে যদি আমার দিকে এক হাত আসে, আমি তার দিকে দুই হাত বাড়িয়ে যাই। আর সে যদি আমার দিকে হেঁটে আসে, আমি তার দিকে দৌড়ে যাই।😭" (সহীহ বুখারী: ৭৪০৫)
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ-কে প্রশ্ন করে:
أَقَرِيبٌ رَبُّنَا فَنُنَاجِيْهِ أَمْ بَعِيْدٌ فَنُنَادِيْهِ»
"আমাদের প্রভু কী আমাদের কাছে, না দূরে? যদি কাছে হন তবে আমরা তাঁর সাথে মুনাজাত করব বা চুপেচুপে কথা বলব। আর যদি তিনি দূরে হন তাহলে আমরা জোরে জোরে তাঁকে ডাকব।" জবাবে আল্লাহ কুরআন কারীমের সূরা বাকারার ১৮৬ নং আয়াত নাযিল করেন: "এবং যখন আমার বান্দাগণ আপনাকে আমার বিষয়ে প্রশ্ন করে, (তখন তাদের বলুন) আমি তাদের নিকটবর্তী। "
সহীহ ইবনু খুযাইমা ১/২৪১; মুসতাদরাক হাকিম ১/৩৬১; মুআত্তা মালিক ১/৮০।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আলহামদুলিল্লাহ, Islamic Tarbiyah Institute-এর কমিউনিটিতে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম। এই জায়গাটা তৈরি করা হয়েছে একটা উদ্দেশ্য নিয়ে, যেন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা একসাথে বসে যেভাবে গ্রুপ স্টাডি করতেন, সেই পরিবেশটা এখানেও তৈরি হয়। এখানে আপনি:
ইলমি কোনো বিষয়ে লিখতে পারবেন,
প্রশ্ন করতে পারবেন
নিজের শেখা বা অভিজ্ঞতা অন্যদের সাথে শেয়ার করতে পারবেন
একে অপরের পোস্টে মন্তব্য করতে, উৎসাহ দিতে পারবেন
পোল তৈরি করে মতামত জানতে চাইতে পারবেন
ইসলামিক ক্যুইজ দিতে পারবেন।
এই প্ল্যাটফর্মটা আমাদের সবার — তাই এটাকে বরকতময় রাখার দায়িত্বও আমাদের সবার। যা কিছু লিখবেন বা শেয়ার করবেন, তা যেন ইলম, আখলাক আর একে অপরের প্রতি সম্মানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, সেদিকে সবাই খেয়াল রাখবেন ইনশাআল্লাহ।
আসুন, একসাথে শিখি, একসাথে এগিয়ে যাই।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে কবুল করুন।
প্রতিষ্ঠাতা, পরিচালক
Islamic Tarbiyah Institute
"সবচেয়ে বড় মূর্খ সেই ব্যক্তি, যে গোনাহকে ছোট মনে করে। আর সবচেয়ে বুদ্ধিমান সে, যে প্রতিনিয়ত আল্লাহ্র কাছে তওবা করে।"
উসমান ইবনে আফফান রাদিআল্লাহু আনহু
বান্দার প্রতি আল্লাহর একটি দয়া হলো– তিনি তাকে এমন কিছু পরীক্ষায় ফেলেন যা সে না পারে কাউকে বলতে, আর না পারে কাউকে নিজের কষ্টটা বোঝাতে। আল্লাহ এটা এই জন্যই করেন যাতে বান্দার মন অন্য সবার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে কেবল আল্লাহর দিকেই নিবিষ্ট হয় এবং সে যেন নিজের সবটুকু দুঃখ নিয়ে একমাত্র তাঁর কাছেই হাজির হয়।
— ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহি.)
[সূত্র : আল-ওয়াবিলুস সায়্যিব, ৩৫]
*রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:🌷*“তোমরা কোরআন তেলাওয়াত করো। কারণ, কেয়ামতের দিন তা তার তেলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশকারী হিসেবে আসবে।”
`(রেফারেন্স: সহিহ মুসলিম,হাদিস,৮০৪)`
📌 এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াতের প্রতি উৎসাহিত করেছেন। কিয়ামতের দিন কুরআন আল্লাহর অনুমতিতে যারা দুনিয়াতে কুরআন তিলাওয়াত করত এবং তার প্রতি যত্নশীল ছিল, তাদের পক্ষে শাফাআত (সুপারিশ) করবে। এখানে শুধু মুখে তিলাওয়াত করাই নয়—কুরআনের প্রতি ভালোবাসা, তা শেখা, বুঝার চেষ্টা করা এবং তার নির্দেশ অনুযায়ী আমল করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিদিন অল্প হলেও কুরআন তিলাওয়াতের অভ্যাস করা উচিত। 📖